বিবা’হিত ম’হিলাদের অজানা সাত ক’ষ্ট-কথা

না’রী-পুরু’ষ ভেদে চিন্তা-ভাবনা আর জীবনকে দেখার দৃষ্টি ভ’ঙ্গি আ’লাদা মানুষের বৈবাহিক অবস্থার স’ঙ্গে ও কিন্তু এই সবের পরিবর্তন হয়। একজন তরুণী বিয়ের আগে যেমনটা থাকে, বিয়ের পর তার অনেকটাই বদলে গিয়ে স’ম্পূর্ণ নতুন মানুষ হয়ে ওঠতে হয়৷

বিয়ে ব্যাপারটাম দূ’র থেকে যতটা সু’খের মনে হয়, কাছে গেলে বদলে যায় প’রিস্থিতি। এমন কিছু ব্যাপার রয়েছে, যেগুলো বিয়ে না হলে আ’সলে অ’নুভব করা যায় না।সেই সাত গো’পন কথা তুলে ধ’রা হল এই প্র’তিবেদনে৷

১) ছেলেদের জন্য ভালোবাসা যেমন, মে’য়েদের জন্য ভালোবাসা আ’সলে তেমন নয়। বিয়ের কিছু বছর পর স্ত্রীর প্রতি অনেক স্বা’মীরই মনযোগ কমে আসে। বি’ষয়টা ভালোবাসার অভাব কখনও, কখনও আবার স্রেফ ব্যস্ততা বা দিনযাপনের অভ্যাস। অন্যদিকে, বিয়ের ব’য়স বাড়ার স’ঙ্গে স্ত্রীর বরং মনযোগ পাওয়ার আ’গ্রহ বাড়ে।

স্বা’মীর অবহেলায় মনে মনে দ’গ্ধ যে কোন বিবা’হিতা না’রীকে জীবনের কোন না কোন পর্যায়ে হতেই হয়। ২) সমাজে বিবা’হিতা না’রীর জীবনে একটা অত্যন্ত বড় ইস্যু হচ্ছে শাশুড়ি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই শাশুড়ির কারণে বিবা’হিতা না’রীরা নানা রকম মা’নসিক ও পারিবারিক স’মস্যায় ভো’গেন৷ এটা এমন একটা স’মস্যা যে না পাড়া যায় বলতে আর না পাড়া যায় সহ্য ক’রতে।

৩) পৃথিবীতে এমন কোন পুরু’ষ নেই, যিনি কিনা অন্য না’রীদের দিকে তাকান না বা কখনও তাকাননি। বিয়ের পর কখনও না কখনও তৃতীয় কোন না’রীর আগমন নিয়ে ক’ষ্ট পেতে হয় স্ত্রীদের। এটা হতে পারে যে স্বা’মী অন্য না’রীর প্রতি আ’গ্রহী, আবার এমনও হতে পারে যে অন্য কোন না’রী স্বা’মীর প্রতি আ’গ্রহী। দুই ক্ষেত্রেই ক’ষ্ট স্ত্রী’কেই ভোগ ক’রতে হয়।

৪) সমাজে পুরু’ষেরা স্ত্রীদের সাংসারিক দায়িত্ব ভাগ করে নেন না। বিয়ের পর একটা পুরু’ষের জীবনে যেটুকু পরিবর্তন আসে, তার চাইতে অনেক বেশী বদলে যায় না’রীর জীবন। সংসারের সমস্ত দায়িত্ব একা পা’লন ক’রতে ক’রতে না’রী একটা ব’য়সে গিয়ে একাকীত্ব আর হ’তাশায় ভুগতে শুরু করেন। বিশেষ করে স’ন্তানেরা একটু বড় হয়ে যাওয়ার পর।

৫) মা-বাবা, পরিবারকে ছে’ড়ে স’ম্পূর্ণ নতুন একটি পরিবারে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা যে আ’সলে কত ক’ঠিন একটা বি’ষয়, সেটা কেবল বিয়ের পরই বুঝতে পারেন মে’য়েরা। আর তাই তো বিয়ের পর পরিবারের জন্য টান এত বেড়ে যায়।

৬) বিবা’হিত জীবনে যতই সু’খী হোক না কেন, নিজে’র মনের গহীনে তরুণী ব’য়সের উচ্ছ্বল জীবনের জন্য একটা হাহাকার পুষে রাখেন সব না’রীই। দায়িত্বহীন আ’নন্দময় জীবন, নিজে’র মত সব কিছু করে ফেলার স্বাধীনতা, নিজে’র সেই দীপ্তিভরা যৌ’বন, সবকিছুর জন্যই কখ কখনো মন খা’রাপ হয়।

৭) ম’হিলাদের আরেকটি ক’ষ্ট আছে৷ যা স’ন্তান কে’ন্দ্রিক। স’ন্তান না হওয়া, স’ন্তানের অসু’স্থতা, স’ন্তান বড় হয়ে যাওয়ার পর নানাভাবে মাকে অবহেলা আর ক’ষ্ট দেওয়া বি’ষয়গু’লি কেবল বিবা’হিতা না’রীদের জীবনেই আসে।

About admin

Check Also

যেভাবে ভেস্তে গেল বিএনপির উদ্যোগ!

২০ দলীয় জোট থেকে জামায়াতকে দূরে ঠেলতে বিএনপির একটি অংশ অনেকদূর অগ্রসর হলেই দলের অন্য …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *