ঔষুধ না খেয়ে যেভাবে পুরু’ষের শ’ক্তি বাড়াবেন

প্রায়শই রোগীরা প্রশ্ন করেন ডাক্তার সাহেব ও’ষুধ ছাড়া কিভাবে শ’রীরের ক্ষ’মতা বাড়ানো যায়। ও’ষুধ সেবন করে শ’রীরের ক্ষ’মতা বাড়ালেতো ও’ষুধের ও’পর নির্ভরতা তৈরী হয়। তখন ও’ষুধ ছাড়া শ’রীর আর চলতে চায়না। এটা একাবারে যথার্থ সত্য। আজকাল অনেক তরুণ বা নববিবা’হিত পুরু’ষেরা শ’রীরের ক্ষ’মতা বাড়াতে ও’ষুধের ও’পর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে অতিমাত্রায়।

ফলে অনেকের ক্ষেত্রে হিতে বিপরীত হচ্ছে। বাড়ছে দামপত্য ক’লহ। তাই কোন ধরনের সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়া শা’রীরিক শ’ক্তি বাড়ানোর ও’ষুধ সেবন বাঞ্চনীয় নয়। তবে ব’য়স ৫০-এর কোঠা পার হলে নানা ধরনের ভিটামিন, খনিজ পদার্থ

ক্যালশিয়াম ইত্যাদি সেবনে বা’ধা নেই। তবে শা’রীরিক ক্ষ’মতা বাড়াতে উ’ত্তেজক ও’ষুধ সেবন হিতকর নয়। তাই স্বাভাবিক ভাবে শ’রীর ফি’ট রাখার জন্য নিয়মিত ব্যায়াম এবং খানিকটা আমিষ জাতীয় খাবার যেমন-মাছ, মাংস, ডিম আহার করা ভালো। পাশাপাশি দরকার পর্যা’প্ত ঘুম ও মা’নসিক চা’প রাখতে হবে নি’য়ন্ত্রণে। এছাড়া পুষ্টি বিজ্ঞনীরা শ’রীরের শ’ক্তি বাড়াতে ১০টি খাবারের প্রতি দৃষ্টি

দিতে বলেছেন। এগুলো হলোঃ ফাইবার সমৃদ্ধ ওয়াটমিল, ক্যাফেইন সমৃদ্ধ খাবার যেমন কফি, লেন্টিলস, প্রচুর পানি, কলা, আপেল, এমাইনো এসিড সমৃদ্ধ লিন বিফ, চিকেন, ডিম ও শেলফিস, চকলেট ইত্যাদি।

বিশেষজ্ঞগণ দেখেছেন ওয়াটমিলে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ মা’নসিক চা’প কমানোর বি ভিটামিন। কফিতে রয়েছে ক্রাফেইন যা এডিনোসিন নামক এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ-কে নি’য়ন্ত্রণ করে শ’রীরে অধিক শ’ক্তি তৈরীতে সাহায্য করে।

পানির নিজের কোন শ’ক্তি না থাকলেও পানি ছাড়া শ’রীরে শ’ক্তি তৈরী হয়না। তাই দিনে ৮/১০ গ্লাস পানি পান জরুরী। এছাড়া শ’রীরের শ’ক্তি উৎপাদনের জন্য রাতে ঘুমানোর আগে এক গ্লাস গরম দু’ধ পান করা ভালো। সুষম খাবার-দাবার, পরিমিত ব্যায়াম ও ঘুম এবং মা’নসিক চা’প কমানোর পরও যদি শ’রীরে কাংখিত শ’ক্তি না পাওয়া যায় তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।

লবঙ্গ : গ্যাস্ট্রিকের তাৎক্ষণিক সমাধান করবে লবঙ্গ। সমস্যা শুরু হলে দু’টি লবঙ্গ মুখে নিয়ে চিবোতে থাকুন। চু’ষে রসটা খেয়ে ফেলুন। দেখবেন কিছুক্ষণের মধ্যেই দূর হয়ে গেছে অ্যাসিডিটি।

পুদিনা পাতা : গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দূর করতে সেই প্রাচীনকাল থেকেই পুদিনা পাতার রস ব্যবহার হয়ে আসছে। প্রতিদিন পুদিনা পাতার রস বা পাতা চিবিয়ে খেলে অ্যাসিডিটি ও গ্যাস্ট্রিক থেকে মুক্তি পাবেন

আদা : বুক জ্বা’লাপোড়া এবং অ্যাসিডিটি সমস্যা সমাধানে বেশ কার্যকর আদা। প্রতিবার খাবার খাওয়ার আধঘণ্টা আগে ছোট এক টুকরো আদা কাঁচা চিবিয়ে খান, দেখবেন গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা একেবারেই থাকবে না। টকদই : খাওয়ার পর প্রতিদিন একবাটি করে টকদই খান। এতে খাবার হজম হবে। অ্যাসিডিটির সমস্যা কমে যাবে।

খাওয়াদাওয়ায় অনিয়ম এবং স্বাস্থ্যকর খাবার না খাওয়ার ফলে অনেককেই গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ভুগতে দেখা যায়। বিশেষ করে খাবার সময় একটু আগে-পরে হলে এবং বেশি ভাজাপোড়া ও তেল মসলা জাতীয় খাবার বেশি খাওয়া পড়লে এই সমস্যাটি বড় আকার ধারণ করা শুরু করে। কিন্তু এই গ্যাস্ট্রিকের ব্য’থা নিয়ে খুব বেশি দুশ্চিন্তা করবেন না।

About tanvir

Check Also

যেভাবে ভেস্তে গেল বিএনপির উদ্যোগ!

২০ দলীয় জোট থেকে জামায়াতকে দূরে ঠেলতে বিএনপির একটি অংশ অনেকদূর অগ্রসর হলেই দলের অন্য …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *