বাড়িওয়ালার ছেলেকে ভাড়াটিয়ার অ’পহরণ, হ’ত্যা করে ছাদ থেকে ফে’লে দিল ম’রদে’হ

সাভারের আশুলিয়ায় বাড়িওয়ালার ছেলে রাজা মিয়া (৯) নামের এক শি’শুকে অ’পহরণের পর মু’ক্তিপণের ৫০ লাখ টাকা না পেয়ে হ’ত্যার অভিযোগ উঠেছে ভাড়াটিয়া দম্পতির বি’রুদ্ধে। এ ঘ’টনায় মূ’ল অ’ভিযুক্ত আরিফুল ইসলাম প’লাতক থাকলেও তার স্ত্রী লিজা আক্তারকে আ’টক করেছে পু’লিশ।

রোববার (২৮ মার্চ) রাত ১১টার দিকে আশুলিয়ার টঙ্গাবাড়ি এলাকায় কালাম মাদবরের বাড়িতে এ ঘ’টনা ঘটে। নি’হত রাজা ওই এলাকার কালাম মাদবরের ছেলে।

আ’টক লিজা আরিফুল ইসলামের স্ত্রী। আরিফুল ইসলাম বর্তমানে প’লাতক রয়েছে। তিনি পাবনা জে’লার আমিনপুর থানার ভাতশাল গ্রামের আজিজ শেখের ছেলে। তারা কালাম মাদবরের বাড়ির দোতলার ভাড়াটিয়া।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার সন্ধ্যায় কালাম মাদবরের বাড়ির দোতলার এক ভাড়াটিয়া দম্পতি রাজাকে অ’পহরণ করে। পরে রাজার মু’ক্তিপণ হিসেবে ৫০ লাখ টাকা দাবি করে অ’পহরণকারীরা।

বি’ষয়টি নিয়ে এলাকার ভে’তরে জানাজানি হলে ও টাকা দিতে দেরি হলে অ’পহরণকারীরা রাজাকে শ্বা’সরো’ধ করে হ’ত্যা করে বস্তাব’ন্দি করে। পরে সেই বাড়ির চারতলা ছাদ থেকে রাজাকে মাটিতে ফে’লে দেওয়া হয়। এ ঘ’টনার পরপর অ’পহরণকারী দম্পতির ভে’তর স্বা’মী পা’লিয়ে গেলেও স্ত্রী’কে আ’টক করে পু’লিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা।

এ বি’ষয়ে আশুলিয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আল আমিন বলেন, নি’হতের ম’রদে’হ উ’দ্ধার করে ম’য়নাত’দন্তের জন্য রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ম’র্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘ’টনায় আরিফুল প’লাতক থাকলেও তার স্ত্রী লিজাকে আ’টক করা হয়েছে। বি’ষয়টি আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

যে কারণে স’রকারি কর্মকর্তা রেদোয়ানাকে হাসপাতালে হ’ত্যা করেন পা’ষ’ণ্ড স্বা’মী

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের কুমুদিনী হাসপাতালের দোতলার ১১ নম্বর কেবিনে রেদওয়ানা ইসলামকে বালিশ চা’পা ও গ’লায় ওড়না পেঁ’চিয়ে শ্বা’সরো’ধ করে হ’ত্যা করে মো. দেলোয়ার হোসেন মিজান পা’লিয়ে যান দাবি করেন তিনি।

যৌতুকের জন্য টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে জে’লা কালচারাল অফিসার খন্দকার রেদওয়ানা ইসলামকে শ্বা’সরো’ধে হ’ত্যা করেছে স্বা’মী মো. দেলোয়ার হোসেন মিজান। শনিবার (২৭ মার্চ) রাতে এমন অভিযোগ করে মা’মলা করেছেন রেদওয়ানার ছোট ভাই খন্দকার মো. আরশাদুল আবিদ।

দেলোয়ার হোসেন মিজান পাবনা সদর উপজে’লার হেমায়েতপুর চার ভাঙ্গারিয়া গ্রামের মো. এলাহী মোল্লার ছেলে। তিনি সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক ভোলা সদরের মহাজনপট্টি শাখায় কর্মরত। অন্যদিকে নি’হত রেদওয়ানা ইসলাম রংপুর সদর থানার ইসলামপুর হনুমানতলার মৃ’ত খন্দকার রফিকুল ইসলামের মে’য়ে।

নি’হতের ছোট বোন খন্দকার ফাদওয়ানা ইসলাম ও ছোট ভাই খন্দকার আরশাদুল আবিদ জানান, ২০০৪ সালে প্রথম বিয়ে করেন দেলোয়ার হোসেন মিজান। তার আরনাফ নামে ১২ বছরের একটি পুত্রস’ন্তান রয়েছে।

সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক টাঙ্গাইল শাখায় কর্মরত থাকাবস্থায় ২০১৯ সালের ১৮ মে রেদওয়ানা ও দেলোয়ার নিজেদের পছন্দে বিয়ে করেন। এটা ছিল উভ’য়ের দ্বিতীয় বিয়ে। বিয়ের কিছুদিন যেতেই দেলোয়ারের আসল চেহার ফুটে ওঠে। তিনি বিভিন্ন অজুহাতে রেদওয়ানার কাছে টাকা দাবি করতেন।

চা’হিদা মতো টাকা দিতে না পারলে চলতো শা’রীরিক ও মা’নসিক নি’র্যাতন। একাধিকবার হ’ত্যার হু’মকি ও চেষ্টাও করা হয় রেদওয়ানকে। বিয়ের দুই বছরে রেদওয়ানার কাছ থেকে দেলোয়ার ১৫ লাখ টাকা নিলেও সম্প্রতি আরও ৪০ লাখ টাকা দাবি করেন। টাকার জন্য দেলোয়ার একটি খালি চেকে রেদওয়ানার স্বাক্ষর নিয়ে রাখেন।

About tanvir

Check Also

ভো’ট চা’ইতে গিয়ে গ;ণ’ধ;র্ষ;ণে;র শি’কার ম’হিলা প্রা’র্থী

প’টুয়াখালীর মি’র্জাগঞ্জে সংরক্ষিত এক না’রী কা’উ’ন্সিলর প্রার্থীকে (৪৫) গ;ণধ;র্ষ;ণের অ;ভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার (১৬ জানুয়ারি) …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *