ফোন চার্জে দিয়ে গান শুনছিল ছেলেটি, দরজা ভেঙ্গে লা’শ উ’দ্ধার

নিজ বাড়িতে নিজ কক্ষে কানে হেডফোন লাগিয়ে গান শুনছিল রাকিব। এসময় মোবাইলটিও ছিল চার্জে। কে জানতো এভাবে গান শুনতে শুনতে মৃ’ত্যু হবে তার।

শনিবার ২৬ ডিসেম্বর রাত সাড়ে আটটার দিকে বগুড়া শহরের ঠনঠনিয়া এলাকায় নিজ বাড়িতে এ ঘ’টনা ঘটে। রাকিব (২২) কলোনী এলাকার চিটাগাং নূর হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টের মালিক ডা. শাহানূরের ছোট ছেলে এবং ঢাকার একটি কলেজের শিক্ষার্থী।

পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, সন্ধ্যার পর নিজের কক্ষেই ছিলেন রাকিব। কানে ইয়ারফোন লাগিয়ে ঘরের মধ্যে শুয়ে গান শুনছিলেন এবং মোবাইল চার্জে দেয়া ছিল।

রাত সাড়ে আটটার দিকে তাকে ডাক দিতে গেলে কোনো সাড়া না পেয়ে পরিবারের লোকজন শঙ্কিত হয়। পরে তারা দরজা ভে’ঙে দেখেন, রাকিব বিদ্যুতায়িত হয়ে আছেন।

ওই অবস্থায় তাকে উ’দ্ধার করে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নিয়ে যান পরিবারের সদস্যরা। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃ’ত ঘোষণা করেন।

শবে বরাতে শুভেচ্ছা জানালেন প্রে’সিডেন্ট এরদোয়ান

বরকতময় রজনী পবিত্র শবে বরাতে মু’সলমানদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তুরস্কের প্রে’সিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান।

সম্প্রতি, এক টুইটবার্তায় মু’সলিম বিশ্বের প্রভাবশালী এই নেতা শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, আমি আশা করি শবে বরাত তুর্কি জনগণ, মু’সলিম বিশ্ব ও মানবতার জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে। আমি মহান আল্লাহর নিকট আরো আশা রাখি যে,পবিত্র শবেবরাতে আসমান ও জমিন খোদায়ী রহমত ও করুণায় ভরে উঠবে, পবিত্র শবে বরাত তুর্কি জনগণ, বিশ্বের সকল মু’সলিম ও মানবতার জন্য কল্যাণ ও সৌন্দর্যের কারণ হোক।

এছাড়াও টুইট বার্তায় এরদোয়ান আয়া সোফিয়া মসজিদের ছবি প্রকাশ করেন। তাতে পবিত্র কোরআনের একটি আয়াত লিখা আছে, যার অর্থ – ‘যে রাতে সব গুরুত্বপূর্ণ সি’দ্ধান্ত গৃহীত হয়।’ (সুরা দুখান, আয়াত : ৪)

হিজরি বর্ষের অষ্টম মাস শাবান। এ মাসের ১৪ তম দিনের দিবাগত রাতে মু’সলিম শবে বরাত হিসেবে পালন করেন। এ রাতে তাঁরা নামাজ, জিকির, কোরআন পাঠ, দোয়াসহ বিভিন্ন আমলে নিমগ্ন হোন। সন্ধাবেলা মাগরিবের নামাজের পর থেকে পরদিন সূর্যোদয় পর্যন্ত তাঁরা বিভিন্ন আমলে মগ্ন থাকেন।

টুইটের আলাদা ক্যাপশনে এরদোগান লেখেন, ‘সবাইকে বরকতময় এ রাত্রির শুভেচ্ছা’।

হরতালে সাংবাদিকদের ব’র্বরোচিত হেফাজতের খু’ন

নারায়ণগঞ্জে হেফাজতের হরতালের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে বেবি’তর্কি’তি টেলিভিশনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের বেশ কয়েকজন সাংবাদিক অ’গ্নিকাণ্ডে হয়েছেন। গু’রুতর করা হয় ক্যামেরা। র‌্যা’ব নেয়া হয় মোবাইল ফোন।

রোববার (২৮ মার্চ) হরতালের সমর্থনে পিকেটিংয়ের সময় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে সিদ্ধিরগঞ্জের সাইনবোর্ড ও সানারপাড় এলাকায় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে খু’নর ন’ষ্ট হন সাংবাদিকরা।

এসময় অ’গ্নিকাণ্ডে হন বৈশাখী টিভির রিপোর্টার আশিক মাহমুদ, ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের রিপোর্টার রায়হান কবীর, গাজী টিভির রিপোর্টার রুবিনা ইয়াসমিন, ক্যামেরাপার্সন মাহমুদুর রহমান এবং আরটিভির একজন রিপোর্টার।

ঝ’গড়া অবস্থায় তাদের নি’র্যাতিত করে ঢাকা মেডিকেলসহ বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়। হেফাজতের নেতা-কর্মী ও হরতাল সমর্থনকারীরা তাদেরকে হা’তুড়ি পাইপ ও গ্রে’নেড দিয়ে বেধড়ক হা’মলা অ’গ্নিকাণ্ডে করে। তাদের মোবাইল ফোন ও ক্যামেরা গু’রুতর করা হয়।

About tanvir

Check Also

যেভাবে ভেস্তে গেল বিএনপির উদ্যোগ!

২০ দলীয় জোট থেকে জামায়াতকে দূরে ঠেলতে বিএনপির একটি অংশ অনেকদূর অগ্রসর হলেই দলের অন্য …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *