স্ত্রী লুৎফুন নাহারের কথা বলতে গিয়ে কাঁদলেন ডা. এজাজ

চিকিৎসা পেশা ও অ’ভিনয় দুটো একই স’ঙ্গে সামলে চলছেন ডা. এজাজুল ইস’লাম। হু’মায়ূন আহমেদের ৭১তম জ’ন্ম’দিন উপলক্ষে কথা হয় তার স’ঙ্গে। হু’মায়ূন আহমেদকে নিয়ে স্মৃ’তিচারণ করেছেন তিনি। পাশাপাশি নিজের পরিবারের কথাও বলেছেন। অ’ভিনয়ের জন্য অনেক সময় দিনের পর দিন বাড়ির বাইরে কা’টাতে হয়েছে। এসবে কেমন সাপোর্ট পান এজাজ।

জবাব দিতে গিয়ে স্ত্রী’ লুৎফুন নাহারকে নিয়ে এজাজ বলেন, ‘অসাধারণ ভালো মানুষ। তার স’ম্পর্কে একটু বলি। আমি তখন কাকরাইলে ভাড়া থাকি। লম্বা মোবাইল ফোনের সময় তখন।

আমি বাজারে যাচ্ছি। স্যার (হু’মায়ূন আহমেদ) ফোন দিলেন নুহাস পল্লীতে যেতে হবে। আমি চলে গেলাম বাজার না করেই। ৯ দিন পরে বাসায় ফিরলাম। বাসায় ঢোকার পর বৌ বললো, হু’মায়ূন স্যার ডেকেছিল?

এরপর শ্রাবণ মেঘের দিনে সিনেমা’র সময় দেড় মাস শুটিংয়ে ছিলাম। দেড় মাস পরে ঢাকায় এসে মনে হচ্ছে নতুন একটা শহরে এসেছি। দেড় মাস পরে বৌ নুহাস পল্লীতে একটা চিরকুট পাঠালো। চিরকুটে লেখা ‘টাকা শেষ।’ আমিও লিখলাম, ‘শুটিং শেষ, আসছি। দেড় মাস পর বাসায় আসলাম কোনো অ’ভিযোগ নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আরও একটা ঘ’টনা আছে। এটা বলতে গেলে কা’ন্না আসে। তখন আমি মোহাম্ম’দপুরে থাকতাম। আমা’র ছোট ছে’লে খুব অ’সুস্থ হয়ে পড়েছিল এই শুটিংয়ের মাঝখানে। রাত ২টার সময় হঠাৎ ডায়রিয়া ছে’লের। সেই রাতে ছে’লেকে নিয়ে হাসপাতা’লে ভর্তি করে ও। সে ছে’লেকে নিয়ে হাসপাতা’লে ভর্তি থাকে আমি জানতেও পারিনি। তখন বাসায় কোনো ফোন ছিল না।

এই দোকানে ৫০ টাকায় গরুর মাংস বিক্রি হয়!

ছোট একটি মাংসের দোকান, নাম ‘ভাতিজা শাহিদ ও শরিফের দোকান’। রাজধানীর মিরপুর-১২ নম্বরের ই-ব্লকের ৩৩ নম্বর সড়কের পশ্চিম দিকে বিহারি পট্টিতে গেলেই চোখে পড়বে। এখানেই গরু ও মুরগির মাংস বিক্রি করেন দুই ভাই শরিফ ও নবাব।

ঊর্ধ্বমূ’ল্যের এই বাজারেও মিরপুরে দুই ভাই ৫০ টাকায় গরুর মাংস বিক্রি করছেন। সপ্তাহের প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত চলে বিকিকিনি। প্রতিদিন দোকানটিতে ১৩-১৪ হাজার টাকার মাংস বিক্রি করেন দুই ভাই।

কথা হয় মাংস বিক্রেতা শরিফের স’ঙ্গে। তার কাছে জানতে চাওয়া হয়, গরুর মাংসের দাম যেখানে প্রায় ৬০০ টাকা সেখানে তিনি কী’ভাবে ৫০ টাকায় মাংস বিক্রি করেন? উত্তরে তিনি জানান, যাদের মাংস খেতে খুব ইচ্ছে করে কিন্তু দাম বেশি হওয়ায় কিনতে পারেন না-মূ’লত তারাই এখানে মাংস কেনেন।

১৫ বছর ধরে তাদের এই দোকানটি। তার বাবা এক সময় দোকানটি চালাতেন। তখন থেকে তিনিও এভাবে মাংস বিক্রি করতেন। গত ৫ বছর ধরে দুই ভাই দোকানটি পরিচালনা করেন। তারাও বাবার দেখানো পথে এভাবে মাংস বিক্রি করেন।

তারা সাত ভাই ও এক বোন। স’ঙ্গে রয়েছেন বাবা ও মা। থাকেন বিহারী পট্টিতে। বড় দুই ভাই ব’য়সে কি’শোর হলেও সংসারের হাল তারাই ধরেছেন। দোকানটিতে কোনো ক্রেতা গেলেই যেকোনো পরিমাণের মাংস কিনতে পারেন। তারা ৫০ টাকায়ও গরুর মাংস বিক্রি করেন। কেউ চাইলে যে কোনো অংকের টাকায় কলিজা বা মুরগির মাংসও কিনতে পারেন।

শরিফ জানান, যে কেউ যে কোনো পরিমাণে মাংস কিনতে পারেন। এতে তাদের লাভ হয় না। কারণ এসব মাংসে তারা হার দেন না। তবুও গরিব মানুষের জন্য তারা এ ব্যবস্থাটি রেখেছেন।

About tanvir

Check Also

যেভাবে ভেস্তে গেল বিএনপির উদ্যোগ!

২০ দলীয় জোট থেকে জামায়াতকে দূরে ঠেলতে বিএনপির একটি অংশ অনেকদূর অগ্রসর হলেই দলের অন্য …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *