চার বছর আমাকে নিয়ে খেলেছে এখন আমার মে’য়েকে চায়

স্বা’মী বিদেশ যাওয়ার পর থেকেই মোবাইল ফোনে সব সময় বির’ক্ত করতো যুবলীগ নেতা আলী হোসেন উজ্জল। এভাবে আমার সরলতার সুযোগ নিয়ে একদিন ওর বাড়িতে ডেকে নেয়। তখন বাড়িতে উজ্জল ছাড়া অন্য কেউ ছিল না। ওর ঘরে নিয়ে আমার ইচ্ছের বি’রুদ্ধে সে ধর্ষন করে। ঘরের ভে’তর আগে থেকেই মোবাইল ফোনের ভিডিও সেট করা ছিল তা আমি জানতাম না।

এরপর থেকে সেই ভিডিও আমার জীবনের কাল হয়ে দাড়ায়। তার স’ঙ্গে শা/রীরিক স/ম্পর্ক না করলে আমার স্বা’মীর কাছে ভিডিও ফুটেজ পাঠিয়ে দেবে এবং ইন্টারনেটে তা ছড়িয়ে দেবে বলে ভ’য়ভীতি দেখায়। যার কারনে চারটি বছর ধরে আমাকে যখন যেভাবে খুশি সে ব্যবহার করে যাচ্ছিল। সে শুধু একাই আমার স’ঙ্গে শা/রীরিক স/ম্পর্ক গড়ে তোলেনি, তার বন্ধুদের দিয়েও প্রতি নিয়ত আমার ও’পর অ’মানুষিক নি’র্যাতন চা’লিয়েছে।

আমার ইজ্জত, মান সম্মান সব কিছু কেড়ে নেয়ার পর ওই পিচাশের কু দৃষ্টি পড়ে আমার স্কুল পড়ুয়া মে’য়ের দিকে। তাই মে’য়ের ইজ্জত বাঁচাতে বা’ধ্য হয়ে থানায় মা’মলা করতে হয়েছে।

এমন লো/মহ/র্ষক ঘ’টনাটি মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজে’লার নালী ইউনিয়নের হেলাচিয়া গ্রামে। ওই ইউনিয়নের প্রভাবশালী ইউপি সদস্য দরবেশ বেপারীর পুত্র ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলী হোসেন উজ্জল।

লোমহ/র্ষক এই ঘ’টনার কাহিনী বলতে গিয়ে বার বারই কেঁদে ফে’লেন ওই না’রী। তার মুখ থেকে বেড়িয়ে আসে তার ও’পর নি’র্যাতনের আরো ভ’য়াবহ কথা। বলেন, চার বছর ধরে আলী হোসেন উজ্জল আমার জীবনটা ত’ছনছ করে দিয়েছে। আমার দে’হ ভোগ করেই সে ক্ষান্ত হয়নি। আমাকে দিয়ে বিভিন্ন এনজিও ও ব্যাংক থেকে লাখ লাখ টাকা ঋ’ণ উঠিয়ে নিয়েছে।

তিনি বলেন, ভ’য়ভীতি, প্রতারনা আর আমার সাথে যৌ*aন সম্প’র্কের ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেয়ার কথা বলে টানা চার বছর ওর ডাকে আমি সাড়া দিয়ে আসছিলাম।

যখন খুশি আমাকের ওর বাড়িতে নিয়ে শা’রীরিক সম্প’র্ক করতো। এই ঘ’টনা আমার স্বা’মীকে বলে দেবে কিংবা ইন্টারনেটে সব ছেড়ে দেবে এই বলে সব সময় আমাকে ব্লাকমেইল করতো এবং ওর কাছে যেতে বা’ধ্য করতো।

এভাবে দিনের পর দিন মাসের পর মাস এবং বছরের পর বছর পেরিয়ে গেলেও ওর রোষানল থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারিনি। সব কিছুই ওকে উজার করে দিয়েছি। এছাড়া ওর ব্যবসার জন্য গ্রামীন ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, আশা অফিস, জাগরনিসহ বিভিন্ন এনজিও থেকে ৮লাখ ২৫ হাজার টাকা আমাকে দিয়ে সে তুলে নেয়। প্রথম প্রথম কিস্তির টাকা পরিশোধ করলেও পরে আর করতো না। গেল এক বছর ধরে সে আর তার বাড়িতে আমাকে ডাকতো না।

নিয়ে যেতো মানিকগঞ্জের উত্তর সেওতা এলাকার মনিরা বেগম মনোয়ারার ৪তলা বিশিষ্ট বাসার চিলাকোঠার একটি কক্ষে। এখানে সপ্তাহে ২-৩ দিন আমাকে নিয়ে আসতো।

যৌ*aন উ’ত্তেজক ঔষুধ সেবন করে আমার স’ঙ্গে শা’রীরিক সম্প’র্ক চা’লানোর পর আবার বাড়ি দিয়ে আসতো। বাড়ির মালিক মনোয়ারা বিনিময়ে ১ হাজার করে টাকা নিতো উজ্জলের কাছ থেকে।

শুধু উজ্জলই নয় তার বন্ধুদেরও নিয়ে আসতো সেখানে। একেক দিন একেক বন্ধুদের সাথে আমাকে শা’রীরিক সম্প’র্ক করাতে বা’ধ্য করতো উজ্জল। এমনকি ওর স-মিলের কর্মচারীদের দিয়েও আমাকে শা’রীরিক সম্প’র্ক করাতো। সেই সম্প’র্কের ভিডিও করতো সে। এভাবে এক বছর ধরে মানিকগঞ্জের ওই বাসায় ওর কথা মতো আসতাম।

তিনি আরো বলেন, উজ্জল শুধু আমার সাথে সম্প’র্ক করে ক্ষুধা মিটতো না। ওর কু-নজর পড়ে আমার স্কুল পড়ুয়া মে’য়ের দিকে । মে’য়েকে না এনে দিলে কিস্তির টাকা না দেয়ার হু’মকি, ইন্টারনেটে ভিডিও ছেড়ে দেয়া এবং স্বা’মীর কাছে সব কিছু বলে দেবে এমন ভ’য় দেখাতে থাকে।

আমি ওকে বলতাম আমি নিজে ম’রে যাবো তার পরও আমার মে’য়েকে তুলে দিতো পারবো না। তারপরও সে পিছু ছাড়ছিল না। একদিকে কিস্তির টাকার জন্য পাওনাদাররা বাড়ি এসে যা না তাই বলে যাচ্ছে, অন্য দিকে ভিডিও ফুটেজ ইন্টারনেটে ছেড়ে দেবে আর সব কিছু তার স্বা’মীকে জানিয়ে দেবে এমন নানা জটিলতার জালে আ’টকে পড়ে যাই।

কোন উপায়ন্ত না পেয়ে বা’ধ্য হয়ে গত মঙ্গলবার মনোয়ারার বাসায় মে’য়েকে নিয়ে যাই। প্রথমে মে’য়েকে নিচে রেখে আমি ৪তলা বাসার চিলাকোঠার একটি কক্ষে যাই ।

যৌ*aন উ’ত্তেজক ঔষুধ সেবন করে প্রথমে উজ্জল আমার সাথে বেশ কিছুক্ষন শা’রীরিক সম্প’র্কে লি’প্ত হয়। এরপর মে’য়েকে চিলকোঠায় নিয়ে আসতে বলে। পরে স্থানীয় লোকজন বি’ষয়টি টের পেলে উজ্জল তার মোবাইল ফোনটি ফে’লে দৌড়ে পা’লিয়ে যায়। মে’য়ের সম্মান বাঁচাতে বা’ধ্য হয়ে মঙ্গলবার রাতে মানিকগঞ্জ সদর থানায় মা’মলা করি।

About tanvir

Check Also

যেভাবে ভেস্তে গেল বিএনপির উদ্যোগ!

২০ দলীয় জোট থেকে জামায়াতকে দূরে ঠেলতে বিএনপির একটি অংশ অনেকদূর অগ্রসর হলেই দলের অন্য …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *