চালডালের বি’ষয়টিও দেখবেন নুসরাত ফারিয়া!‌

শোনা যাচ্ছে, চালডালের ব্যবসায় নেমেছেন?’ কথাটা ছোঁ মে’রে নিজের অনুকূলে নিয়ে নিলেন চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া।

বললেন, ‘হ্যাঁ, চালডালের ব্যবসায় যুক্ত হয়েছি। থাকবো এক বছর। তবে ব্যবসাটা চালডাল.কম নামের প্রতিষ্ঠানের। আমি তাদের স’ঙ্গে শুভেচ্ছাদূত হিসেবে বাজারে নামলাম!’

সুতরাং অনলাইন সুপারশপ চালডাল.কমের হয়ে প্রচারণামূ’লক নানা ধরনের কর্মকাণ্ডে দেখা যাবে ‘বঙ্গবন্ধু’ চলচ্চিত্র-খ্যাত এই তারকাকে।

গতকাল (১৭ মার্চ) হয়েছে এর আনুষ্ঠানিক চুক্তি। ফলে মুঠোফোন, প্রসাধ’নীর পাশাপাশি অনলাইন এই প্রতিষ্ঠানের প্রচারে তাকে নিয়মিত পাওয়া যাবে।

ফারিয়া বললেন, ‘আপাতত শুটিং করছি না। এ মাসের বাকি দিনগুলো বিভিন্ন ধরনের ফটোশুট ও ছবির ডাবিং করে পার করবো। অনলাইন প্রতিষ্ঠানটির হয়েও কিছু কাজ আছে।’

নুসরাত ফারিয়া ‘অপারেশন সুন্দরবন’ ও ‘যদি… কিন্তু… তবুও’-এর শুটিং শেষ করেছেন। চলছে ডাবিংসহ ছবিগুলোর শেষ মুহূর্তের কাজ।

এরমধ্যে ৩০ মার্চ মুক্তি পাবে ‘যদি… কিন্তু… তবুও’ নামের ওয়েব ফিল্ম। এতে জিয়াউল ফারুক অপূর্বর বিপরীতে অভিনয় করেছেন ফারিয়া। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন নির্মাতা শিহাব শাহীন।

আব’র্জনার স্তূ’প থেকে কুড়িয়ে পাওয়া মে’য়েটি তার সবজি বিক্রেতা বাবার এত বড় প্রতি’দান দিল

মানুষের জীবনে ওঠাপড়া তো লেগেই থাকে। ক’খনো উঠছে কখনো আ’বার পড়ছে। ওঠাপড়া নিয়েই তো মা’নুষের জীবন।

জী’বনের গ্রাফ কখনই সরল’রেখা নয়, তার প্রতিটি বিন্দুতে বিন্দুতে লুকিয়ে থাকে বিস্ময় আর রোমাঞ্চ। আম’রা কেউই জানি না আজ থেকে ৫০ বছর পর আ’মাদের জীবনে কি হতে চলেছে। সেটা যেমন অ’সম্ভব তেমনি অবাস্তবও বটে। ইংরেজিতে একটা কথা আছেনা “জাস্ট গো উইদ ফ্লো।”

জী’বন কখন কোন দিকে বাঁক নেবে কখনও পা’ল্টাবে তা আগে থেকে ঠাওর করা খুবই মু’শকিল, তাই জীবন যে’দিকে যেতে চাই সে’দিকেই যেতে দিন। এরকমই এক পাল্টে যা’ওয়া জী’বনের কথা, এক চরিত্রের কথাই তুলে ধ’রা হলো আজ এই প্রতি’বেদনে।ঘ’টনাটির সুত্র’পাত আসামে।

আসা’মের এক গরীব ঘরের স’বজি বিক্রেতা নিখিল। প্র’তিদিন সকালে সবজি বিক্রি করতে বাজারে যায়, আর সেই স’বজি বিক্রির টাকা থেকেই চলে নিখিলের ছোট সংসার। তার এই ছোট্ট সংসা’রেই ঘটলো একদিন এক অদ্ভুত ঘ’টনা। ঘ’টনার সূ’ত্রপাত এখান থেকেই, একদিন রা’স্তায় প্রতিদিনের মতই সবজি বিক্রি করছেন নিখিল,

ঠিক এই সময়ই তার চোখে পড়ে রাস্তার ধারে আ’বর্জনার স্তূপের মধ্যে কিছু একটা পড়ে আছে এবং সেখান থেকে শব্দ হচ্ছে।
নিখিল দৌ’ড়ে গিয়ে দেখতে পান একটি বাচ্চা শি’শু মে’য়ে সেখানে পড়ে আছে।

নিখিল অ’বাক হয়ে যান, কিন্তু একজন ভালো মা’নুষিকতার পরিচয় দিয়ে তিনি ওই বাচ্চা মে’য়েটিকে নিয়ে যান তার বাড়ি।

এবং ফে’লে যাওয়া বা’চ্চাটিকে বাঁ’চান নিখিল। মে’য়েটির নাম রা’খেন মিথিলা।নিখিলের তখন ব’য়স ছিল প্রায় ৩২ ছুঁ’ইছুঁই আর তজনি ছিলেন অবিবা’হিতও।ফলে বা’চ্চাটিকে মানুষ করতে তার কোনো ধরণের অ’সুবিধাই হয়নি। প্রবল দ’রিদ্রতার মধ্যেও মিথি’লাকে তার নিজের মে’য়ের মতনই আদর যত্নে মানুষ করেন নিখিল,

তাকে বড় করে তোলেন।শুধু তাই নয়, মিথি’লার ভবি’ষ্যতের কথা ভেবে তাকে উপযু’ক্ত ভাবে তৈরি ও করেন।মে’য়ে তাকে পড়াশোনা শিখিয়ে করে তোলেন মা’নুষের মতো মানুষ। যাতে ভবি’ষ্যৎ এ মিথিলাকে আর কোন স’মস্যার মধ্যে পড়তে না হয়।সেই মি’থিলাই বড়ো হয়ে একজন আইপিএস অফিসার হয়।

About tanvir

Check Also

বিয়ে নয়, জীবন উপভো’গ ক’রতে চান প্রভা

১০ বছর আগের স্ক্যান্ডাল নিয়ে মুখ খু’ললেন মডেল ও অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা। তিনি বলেন, …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *