উত্তাপ ছড়াচ্ছেন জয়া

অভিনেত্রীদের মধ্যে সাফল্যের ধারাবাহিকতায় তিনিই শীর্ষে। তাই উদযাপন করতেই পারেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান।

জয়া আহসানের সিনেমা মানেই নতুন আরেকটি রূপে ও পরিচয়ে জয়ার ভাস্বর হয়ে ওঠা। মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর মাহেন্দ্রক্ষণে মুক্তি পাচ্ছে জয়া আহসান অভিনীত আলোচিত সিনেমা ‘অলাতচ’ক্র’। আহম’দ ছফার উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত সিনেমাটি ঘিরে দর্শকের আ’গ্রহ ব্যাপক।

বাংলা ভাষায় প্রথম থ্রিডি চলচ্চিত্র ‘অলাতচ’ক্র’ মুক্তি পাচ্ছে আগামী ১৯ মার্চ। আর বৃহস্পতিবার (১৮ মার্চ) বিকেল ৪টায় সিনেমাটির প্রিমিয়ার শো অনুষ্ঠিত হয় বসুন্ধরা সিটির স্টার সিনেপ্লেক্সে।

মুক্তিযু’দ্ধের পটভূমিতে আহম’দ ছফার উপন্যাস অবলম্বনে হাবিবুর রহমান পরিচালিত চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করেছেন জয়া আহসান।

‘অলাতচ’ক্র’ উপন্যাসে দানিয়েলের জবানিতে নিজেকেই তুলে ধরেছেন লেখক আহম’দ ছফা। নিজের প্রে’মিকারূপে সৃষ্টি করেছেন তায়েবা চরিত্রটি। যে চরিত্রে অভিনয় করেছেন জয়া আহসান।

এর আগে জয়া অভিনীত মুক্তিপ্রা’প্ত সিনেমা ‘রবিবার’। সিনেমাটিতে টলিউড সুপারস্টার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের স’ঙ্গে জুটি বাঁধেন জয়া। দর্শক-সমালোচকদের কাছে বেশ প্রশংসিত হয় সিনেমাটি।

ক্যারিয়ারে সাফল্যের তুঙ্গে অবস্থান করছেন অভিনেত্রী জয়া। এ পর্যন্ত শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে তিনি তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেছেন। মেরিল-প্রথম আলো সেরা অভিনেত্রীর শিরোপা নিয়েছেন পাঁচবার। এছাড়াও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অ’ঙ্গনে বহু পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন জয়া আহসান।

আব’র্জনার স্তূ’প থেকে কুড়িয়ে পাওয়া মে’য়েটি তার সবজি বিক্রেতা বাবার এত বড় প্রতি’দান দিল

মানুষের জীবনে ওঠাপড়া তো লেগেই থাকে। ক’খনো উঠছে কখনো আ’বার পড়ছে। ওঠাপড়া নিয়েই তো মা’নুষের জীবন।

জী’বনের গ্রাফ কখনই সরল’রেখা নয়, তার প্রতিটি বিন্দুতে বিন্দুতে লুকিয়ে থাকে বিস্ময় আর রোমাঞ্চ। আম’রা কেউই জানি না আজ থেকে ৫০ বছর পর আ’মাদের জীবনে কি হতে চলেছে। সেটা যেমন অ’সম্ভব তেমনি অবাস্তবও বটে। ইংরেজিতে একটা কথা আছেনা “জাস্ট গো উইদ ফ্লো।”

জী’বন কখন কোন দিকে বাঁক নেবে কখনও পা’ল্টাবে তা আগে থেকে ঠাওর করা খুবই মু’শকিল, তাই জীবন যে’দিকে যেতে চাই সে’দিকেই যেতে দিন। এরকমই এক পাল্টে যা’ওয়া জী’বনের কথা, এক চরিত্রের কথাই তুলে ধ’রা হলো আজ এই প্রতি’বেদনে।ঘ’টনাটির সুত্র’পাত আসামে।

আসা’মের এক গরীব ঘরের স’বজি বিক্রেতা নিখিল। প্র’তিদিন সকালে সবজি বিক্রি করতে বাজারে যায়, আর সেই স’বজি বিক্রির টাকা থেকেই চলে নিখিলের ছোট সংসার। তার এই ছোট্ট সংসা’রেই ঘটলো একদিন এক অদ্ভুত ঘ’টনা। ঘ’টনার সূ’ত্রপাত এখান থেকেই, একদিন রা’স্তায় প্রতিদিনের মতই সবজি বিক্রি করছেন নিখিল,

ঠিক এই সময়ই তার চোখে পড়ে রাস্তার ধারে আ’বর্জনার স্তূপের মধ্যে কিছু একটা পড়ে আছে এবং সেখান থেকে শব্দ হচ্ছে।
নিখিল দৌ’ড়ে গিয়ে দেখতে পান একটি বাচ্চা শি’শু মে’য়ে সেখানে পড়ে আছে।

নিখিল অ’বাক হয়ে যান, কিন্তু একজন ভালো মা’নুষিকতার পরিচয় দিয়ে তিনি ওই বাচ্চা মে’য়েটিকে নিয়ে যান তার বাড়ি।

এবং ফে’লে যাওয়া বা’চ্চাটিকে বাঁ’চান নিখিল। মে’য়েটির নাম রা’খেন মিথিলা।নিখিলের তখন ব’য়স ছিল প্রায় ৩২ ছুঁ’ইছুঁই আর তজনি ছিলেন অবিবা’হিতও।ফলে বা’চ্চাটিকে মানুষ করতে তার কোনো ধরণের অ’সুবিধাই হয়নি। প্রবল দ’রিদ্রতার মধ্যেও মিথি’লাকে তার নিজের মে’য়ের মতনই আদর যত্নে মানুষ করেন নিখিল,

তাকে বড় করে তোলেন।শুধু তাই নয়, মিথি’লার ভবি’ষ্যতের কথা ভেবে তাকে উপযু’ক্ত ভাবে তৈরি ও করেন।মে’য়ে তাকে পড়াশোনা শিখিয়ে করে তোলেন মা’নুষের মতো মানুষ। যাতে ভবি’ষ্যৎ এ মিথিলাকে আর কোন স’মস্যার মধ্যে পড়তে না হয়।সেই মি’থিলাই বড়ো হয়ে একজন আইপিএস অফিসার হয়।

About tanvir

Check Also

বিয়ে নয়, জীবন উপভো’গ ক’রতে চান প্রভা

১০ বছর আগের স্ক্যান্ডাল নিয়ে মুখ খু’ললেন মডেল ও অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা। তিনি বলেন, …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *