Breaking News

জয় পেলেও বিদ্রোহীপ্রার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ পদ পাবে না: কাদের

নেতৃত্বের দু’র্বলতা আর অস্বচ্ছ রাজনীতিই বিএনপিকে ভোটের রাজনীতি থেকে দিন দিন পিছিয়ে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, তারা (বিএনপি) জনগণের কাছে ভোট না চেয়ে স’রকারের অন্ধ সমালোচনা ও মিথ্যাচারকেই ব্রত হিসেবে নিয়েছে; যা প্রকারান্তরে তাদের রাজনৈতিক অস্তিত্বকে দু’র্বল করে তুলছে।

রোববার (১৭ জানুয়ারি) সকালে ওবায়দুল কাদের তার স’রকারি বাসভবন থেকে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ মন্তব্য করেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, পৌরসভা নির্বাচনে যারা আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের বি’রুদ্ধে নির্বাচন করে জয়লাভ করেছে, তাদের ভবি’ষ্যতে দলের কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদে আর বিবেচনায় আনা হবে না।

তিনি বলেন, পরবর্তী ধাপের নির্বাচনে যারা দলের সি’দ্ধান্ত মানবে না এবং দলের শৃঙ্খলাবি’রোধী কাজ করবে তাদের বি’রুদ্ধে শা’স্তিমূ’লক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্ত্রী বলেন, তারা জয় হোক কিংবা পরাজয় হোক পরবর্তী নির্বাচনে আর মনোনয়ন পাবে না, এটাই আওয়ামী লীগ এবং শেখ হাসিনার সি’দ্ধান্ত।

শনিবার (১৬ জানুয়ারি) দ্বিতীয় ধাপে ৬০টি পৌরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, এতে বেস’রকারি ফলাফলে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করেছে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিজয়ী সবাইকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, এ বিজয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসী ও মানবিক নেতৃত্বে এগিয়ে যাওয়া উন্নয়ন, অগ্রযাত্রা এবং সমৃদ্ধির বিজয়।

তিনি এ বিজয়কে গণতন্ত্রের অভিযাত্রাকে আরো এক ধাপ এগিয়ে নেওয়ার বিজয় বলেও মতপ্রকাশ করেন।

ওবায়দুল কাদের জানান ব্যাপক, ভোটার উপস্থিতি শেখ হাসিনা স’রকার ও নির্বাচন ব্যবস্থার ও’পর জনগণের অব্যাহত আস্থারই বহিঃপ্রকাশ।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, যারা দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়, নির্বাচন নিয়ে কথায় কথায় হতাশা প্রকাশ করে, গতকালের (শনিবার) নির্বাচনে জনগণ তাদের উদ্দেশ্যমূ’লক অ’পপ্রচারের জবাব দিয়েছে।

‘ভোটকেন্দ্র স’রকারি দলের দ’খলে ছিল’ বিএনপির এমন অভিযোগ প্রস’ঙ্গে ওবায়দুল কাদের পাল্টা প্রশ্ন করে বলেন, তাহলে তাদের ৪ জন প্রার্থী কীভাবে বিজয়ী হলেন?

তিনি বলেন, বিএনপি নেতারা মাঠে না গিয়ে ঘরে বসে শীত উদযাপন করে। কর্মীরা ভোট দিতে চাইলেও মাঝদুপুরে ভোট বর্জনের সংস্কৃতি তাদের তাড়া করে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ইভিএমে জনগণ স্বাচ্ছন্দ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছে। তাদের মধ্যে ছিল না কোনো জড়তা। ইভিএমে ভোট প্রদানে জনগণের আ’গ্রহ এখন অনেক বেড়েছে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, বিএনপির আমলে নির্বাচন মানেই হা’নাহানি, সং’ঘাত আর প্রা’ণহা’নি লেগেই থাকত। বর্তমান স’রকারের সময়ে স্থানীয় স’রকারের বিভিন্ন ইউনিটে নির্বাচনে হা’নাহানি ও অ’স্ত্রের মহড়া বন্ধ হয়েছে।

ওবায়দুল কাদের সিরাজগঞ্জে যে সং’ঘাত হয়েছে তা দুঃখজনক উল্লেখ করে বলেন, দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘ’টনা ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবেই নির্বাচন অনুষ্ঠানে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা দায়িত্ব পালন করেছেন এবং তাদের ভবি’ষ্যতে আরো ক’ঠোর ভূমিকা পালন করারও নির্দেশ দেন।

About admin

Check Also

নির্বাচনে জানমালের ক্ষ’তি না করে অটোপাসের ব্যবস্থা করুন

যেভাবে এইচএসসিতে অটোপাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে- তেমনিভাবে নির্বাচনে মানুষের জানমালের ক্ষ’তি না করে অটোপাসের ব্যবস্থা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *